অনেকে “শূন্য রিটার্ন” বলতে রিটার্নের প্রতিটি ঘরে শূন্য বসানো বোঝেন। বাস্তবে আয় না থাকা, করযোগ্য আয় না থাকা এবং কোনো তথ্যই না থাকা—এই তিনটি বিষয় এক নয়। কারও কর পরিশোধযোগ্য না হলেও তার ব্যাংক হিসাব, সঞ্চয়, সম্পদ, ব্যবসায়িক লেনদেন বা অন্যান্য আর্থিক তথ্য থাকতে পারে।
কোথায় ভুল হওয়ার ঝুঁকি বেশি
জীবনযাত্রার ব্যয়, সম্পদের বৃদ্ধি, ব্যাংক লেনদেন ও ঘোষিত আয়ের মধ্যে বড় অসামঞ্জস্য থাকলে প্রশ্ন উঠতে পারে। অন্যের পরামর্শে না বুঝে তথ্য বাদ দেওয়া বা মনগড়া সংখ্যা ব্যবহার করলে ভবিষ্যতে ব্যাখ্যা দেওয়া কঠিন হয়। রিটার্ন প্রস্তুতের মূলনীতি হলো—প্রযোজ্য ঘরে সত্য, পূর্ণাঙ্গ ও প্রমাণযোগ্য তথ্য দেওয়া।
রিটার্ন তৈরির আগে প্রস্তুতি
- বছরের সব আয়ের উৎসের তালিকা করুন
- ব্যাংক হিসাব, বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের কাগজ সংগ্রহ করুন
- সম্পদ ও দায়ের আগের বছরের তথ্যের সঙ্গে মিল করুন
- উৎসে কর কাটা হলে সনদ যাচাই করুন
- যে তথ্য বুঝতে পারছেন না, তা অনুমান না করে পরামর্শ নিন
করযোগ্য আয় না থাকলে সেটিও যথাযথভাবে উপস্থাপন করা যায়; কিন্তু তথ্য গোপন করে কৃত্রিমভাবে শূন্য দেখানো আলাদা বিষয়। রিটার্ন জমার আগে নাম, TIN, করবর্ষ, আয়, ব্যয়, সম্পদ ও কর পরিশোধের তথ্য একবার মিলিয়ে নিন।
TaxBD পরামর্শ: কম কর দেখানো নয়—আইনসম্মতভাবে সঠিক কর নির্ধারণ ও ভবিষ্যতের নথি সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখাই ভালো রিটার্নের লক্ষ্য।
তথ্যসূত্র: বিষয় নির্বাচনে BDTax Blog-এর প্রকাশিত লেখা পর্যালোচনা করা হয়েছে। এই লেখাটি TaxBD-এর নিজস্ব ভাষায় প্রস্তুত; এটি সাধারণ তথ্য, ব্যক্তিভিত্তিক আইনি বা কর পরামর্শ নয়। সিদ্ধান্তের আগে NBR-এর সর্বশেষ বিধান যাচাই করুন।
