আয়কর অডিট নোটিশ পাওয়া মানেই কর ফাঁকি প্রমাণিত হয়েছে—এমন নয়। অডিট হলো রিটার্নে দেওয়া তথ্য, ঘোষিত আয়, ব্যয়, সম্পদ ও সহায়ক কাগজপত্র যাচাইয়ের একটি প্রক্রিয়া। তাই প্রথম কাজ হলো শান্তভাবে পুরো নোটিশ পড়া এবং কোন করবর্ষ, কোন তথ্য ও কত দিনের মধ্যে জবাব চাওয়া হয়েছে তা চিহ্নিত করা।
প্রথমে যে বিষয়গুলো যাচাই করবেন
- নোটিশে থাকা করদাতার নাম, TIN ও করবর্ষ সঠিক কি না
- জবাব বা শুনানির শেষ তারিখ
- কোন নথি বা ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে
- অনলাইন বা সরাসরি—কোন পদ্ধতিতে উত্তর দিতে হবে
রিটার্নের কপি, আয় বিবরণী, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, উৎসে কর কর্তনের সনদ, বিনিয়োগের প্রমাণ, সম্পদ ও দায়ের তথ্য এবং প্রাসঙ্গিক চুক্তিপত্র এক জায়গায় সাজান। নোটিশে যা চাওয়া হয়নি, তা অপ্রয়োজনে জমা না দিয়ে প্রয়োজনীয় নথির একটি পরিষ্কার সূচি তৈরি করুন।
জবাব দেওয়ার সময় সতর্কতা
তথ্য গোপন, অনুমাননির্ভর উত্তর বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ হিসাব পরবর্তী জটিলতা বাড়াতে পারে। কোনো ভুল ধরা পড়লে সেটি ব্যাখ্যা করে যথাযথ সংশোধনের পথ জানতে পেশাদার পরামর্শ নিন। সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ জবাব সম্ভব না হলে প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী সময় চাওয়ার সুযোগ আছে কি না যাচাই করুন।
TaxBD পরামর্শ: নোটিশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারিখসহ একটি কাজের তালিকা তৈরি করুন এবং জমা দেওয়া প্রতিটি নথির কপি ও প্রাপ্তিস্বীকার সংরক্ষণ করুন।
তথ্যসূত্র: বিষয় নির্বাচনে BDTax Blog-এর প্রকাশিত লেখা পর্যালোচনা করা হয়েছে। এই লেখাটি TaxBD-এর নিজস্ব ভাষায় প্রস্তুত; এটি সাধারণ তথ্য, ব্যক্তিভিত্তিক আইনি বা কর পরামর্শ নয়। সিদ্ধান্তের আগে NBR-এর সর্বশেষ বিধান যাচাই করুন।
